দাবি সমাধানের আশ্বাস পেয়ে ধর্মঘট কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংকলরি মালিক ঐক্য পরিষদ। রোববার দুপুরের দিকে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংকলরি মালিক সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান রতন এ তথ্য জানান।
এর আগে সকাল ৬টা থেকে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন ও পেট্রোল পাম্প থেকে তেল বিক্রির কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েন সাধারণ ভোক্তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, তেল বিক্রির কার্যক্রম বন্ধের পরই সংকট সমাধানে বৈঠকে বসে বিপিসি ও মালিক সমিতি। বৈঠকে ১৫ দিনের মধ্যে সব দাবি সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় কর্মবিরতি কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
তাছাড়া, অন্যান্য দাবিগুলো দুই মাসের মধ্যে সুরাহা না হলে পুনরায় কর্মবিরতি যাবে বলেও জানান পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির নেতারা।
পেট্রোল পাম্প মালিকদের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে-
- জ্বালানি তেল বিক্রির কমিশন ৭ শতাংশ করা ও সড়ক জনপথ অধিদপ্তরের ইজারা মাশুল পূর্বের অবস্থানে বহাল রাখা।
- পাম্প সংযোগ সড়কের ইজারা নবায়নের সময় পে-অর্ডারকে নবায়ন বলে গণ্য করা।
- বিএসটিআই কর্তৃক আন্ডারগ্রাউন্ড ট্যাংক ক্যালিব্রেশন, ডিপ রড পরীক্ষণ ফি এবং নিবন্ধন প্রথা বাতিল।
- পরিবেশ অধিদপ্তর, বিইআরসি, কল কারখানা পরিদপ্তর ও ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স গ্রহণ প্রথা বাতিল।
- বিপণন কোম্পানি থেকে ডিলারশিপ ছাড়া সরাসরি তেল বিক্রি বন্ধ।
- ট্যাংকলরি চালকদের লাইসেন্স নবায়ন ও নতুন লাইসেন্স ইস্যুতে জটিলতা দূর করা, সব ট্যাংকলরির জন্য আন্তঃজেলা রুট পারমিট প্রদান।
- অননুমোদিত ভাবে ঘর বা খোলা স্থানে তেল বিক্রয় বন্ধ করা।
এমএ